নীলের বুকে শুভ্র কাশের প্রণয়

শনিবার, নভেম্বর ৪, ২০১৭ ১১:১০ অপরাহ্ণ
Share Button
  • সাইয়েদা আক্তার ( কবিরানী)

প্রিয়তম দর্শনে প্রিয়তমা নই নিবৃত্ত
প্রবৃত্তির জের টেনেই তাঁর প্রেমে মত্ত।

কি দিন, কি ক্ষণ কিবা বছর
কিবা দিব্যলোক কিইবা প্রহর।

নিস্পৃহভাবে বারংবার ইচ্ছার জাল বুনি
মনে লয় তাঁরে একাধিকবার নয় ।
যেন শতসহস্র বার শুনি ।

দর্শন মেলে সেদিন দুজনাতে
শরতের নীলচে গগন তলে ।

আমিও পা বাড়াই তাঁর ডাকে সাড়া দিই সবকিছু ভুলে ।

আহ্লাদে আটখানা প্রিয়তমা মন খুশির চোটে।

ছোট্ট দিঘি’র বুকে সহসা চড়ে বসি যন্ত্রচালিত সখের বোটে ।

অনুভূতির পাখনা মেলি তপোবনে ধ্যান তাঁর সাথে।

অতঃপর ভালোবাসার রাজ্য জয় হাত রেখে কোমল হাতে।

প্রিয়তম তোমার হৃদদেশে ব্যূহ রচনা করে দেবো ভালোবেসে আপন খেয়ালে।

আমি ছাড়া আর কোনো বস্তু অথবা ব্যক্তি প্রেম নিয়ে পা না বাড়িয়ে দেক তব অলিন্দ দেয়ালে।

ভালোবাসি কথাটি প্রকটিত হোক ধ্বনি থেকে প্রতিধ্বনি তে ।

প্রিয়তমা এদিকে এসো হাল ধরো ডানে, ডান থেকে বামে কিংবা সোজা ।

নদীর স্রোত নাও আগে বুঝে,
পরে হবে প্রেমের দরিয়া’র স্রোত বোঝা ।
এদিকে ঘোরো ঠিক পাশে এসে চুপটি বসো গায়ে গা ঘেঁষে।
ভালোবাসাবাসি হোকনা হেসে হেসে ।
একই মায়ার ফ্রেমে হবো বন্দি
প্রিয়তম দুষ্ট হলে কি?
না, না , প্রিয় শুধুই বুকে জড়ানোর খুঁজছি নতুন ফন্দি!

ও মা সে কি কথা চলো নীরবে নিভৃতে অনুরণনে হোক প্রেমের জবানবন্দি।
আমি তোমার প্রেমের সনে, দেহে আর মনে কেবলি করব ভালোবাসার অন্যরকম সন্ধি ।
শরতের কাশবনে পথের ধারে চলো দুটি তে আজ করি খুনসুটি।
সবকিছু যাক অবসরে শুধু প্রকৃতির না হোক ছুটি।
আবারো হবে দেখা ওহে প্রিয়তম।
ঝাপটে ধরার ইচ্ছে হলেই বুক পাঁজর পেতে দিয়ো ।
আবার হোক অভিসার শরতের নীলচে আকাশ তলে।
তখনো মোরেই পথ ভুলিয়ো ছলে বলে কৌশলে।
শরৎ কিংবা বসন্তের বাসন্তী পুজোয় বাসন্তী রঙের শাড়ির আঁচলে।
অথবা যেথায় জিমুতেন্দ্রর আহবানে অতি যত্নে বৃষ্টি পড়েছিলো গলে।
খোলস বিহীন মন চেয়েছি হৃদয় ভরে আর চেয়েছি প্রেম।
বিত্ত, বৈভব কিংবা চাইনি দামী হেম।
তোমার কাছে খুব যতনে হৃদয় রেখে দিলেম।
নিদ্রাতুর আঁখি নিয়ে তোমার বুক পাড়াতেই শান্তিতে ঘুম নিলেম ।

 

Share Button