Home / Tag Archives: kobita

Tag Archives: kobita

সিরিজ কবিতা।। আত্মজীবনী।। পর্ব-০১

কবি সজিব আহমেদের জীবনমুখী সিরিজ কবিতা আত্মজীবনী। আমরা এটি ধারাবাহিকভাবে পর্ব আকারে প্রকাশ করছি। এক. চোখের আঙ্গিনায় সূর্যমুখী ফুল উড়ে আসে ঝাঁকবাঁধা হলুদ। দুই. কুয়াশায় স্যাঁতসেঁতে জ্যোৎস্নায় কে ভাবে? ফণা তোলে নাচে মুদ্রার মতো। তিন. ঘর ভেঙে বাইরে কেবলই আপন সরলে বিশ্বাস কাঁদে! চার. ক্ষমতাসীন ফুল চাষ করতে না পেরে অস্ত্রের সাঁনে …

Read More »

বিজয় দিবসের কবিতা

কবি এ কে রাসেলের ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে দুটি কবিতা। স্বাধীনতার প্রত্যাবর্তন অতঃপর… তুমি এসেছো হৃদয়ের দগদগে ক্ষত ছুঁয়ে দিয়ে, লাশের স্তুপে পা রেখে দৃপ্ত পদচ্ছাপে তুমি এসেছো গোলাপের পাপড়ি শুকানো বেলায়… তুমি এসেছো অশ্রু মুছে দিতে বীরাঙ্গনার উদোম দেহ ঢেকে দিতে, কৃষাণের মাঠে সবুজের সমারোহে। তুমি এসেছো …

Read More »

একদল বেরোবিয়ানের কবিতা

সিঁদুর নয় রক্ত।। সঞ্জয় বিশ্বাস  সত্য যুগের আগে কোনো পূর্বপুরুষ বেলপাতায় আশ্বিনের  মেঘ আঁকতে গিয়ে এঁকে ফেলেছিলো তোমার কপাল। -সেই কপালের সিঁথি বেয়ে অনন্তকাল হেঁটে হেঁটে আমি জেনে গেছি,  সিঁদুরের নাম করে তুমি পরে আছো রক্ত, জেনে গেছি,  অপবিত্র রক্ত পরেই মহাপবিত্র হয়ে আছো তুমি। নিরুত্তর।। আলেয়া দেবী মন উঠোনে …

Read More »

একগুচ্ছ কবিতা।। সজীব আহমেদ

ধোঁয়ার কাছাকাছি ধোঁয়া ঠিক তোমার মতো মাঠে ছেড়ে দিলে বাতাসে মিশে গভীর অরণ্যে ছেড়ে দিলে পাতায় পাতায় হারিয়ে যায়। তোমার অনলখানি নিতে পারিনা ; ভেবে দেখো রঙধনু ‘র কত গভীরে হৃদয়ের স্পন্দন! স্পর্শে লেগে থাকো ধোঁয়ার কাছাকাছি। পুরণো-নতুন জামায় , ইজি চেয়ারে- প্রজাপতি, খণ্ড খণ্ড মেঘের ডানায় বুকের পাজর পোড়ে …

Read More »

মাহমুদ হায়াত এর একগুচ্ছ কবিতা

  ঢেউভাঙা প্রবল বাসনা একটা লাজুক বিকেলের ঘোমটা টেনে আমি বহুবার দেখেছি…….. কিভাবে জেগে ওঠে একটা তৃষ্ণার্ত নদীর ঢেউভাঙা প্রবল বাসনা। অনেক বিকেল গড়িয়ে যাওয়া অচৈতন্য ঋষিভালবাসা বুকে ক’রে পার হয়ে গেছি কত বিরান সমুদ্র। ভালবাসা ছোঁবে ব’লে আঁছড়ে পড়া ঢেউয়ের মতো থমকে দাঁড়িয়েছে আমার পৃথিবী একদিন এক দ্রাঘিমাংশ সীমানা। …

Read More »

একগুচ্ছ কবিতা।। জালাল জয়

 নীল কুয়াশা ১ একটা স্বপ্ন দেখে ছবি আঁকি মনের রঙ মিশিয়ে হৃদ গহীনে আদরের জল মিশিয়ে আদর খুঁজি তারার বুকে জ্যোৎস্নাজলে একটা রাজ্যগড়ি কাব্যপাতায় মধুরলতায়। ধীরেধীরে বুকের ভেতর ছন্দ বানাই। কৃষাণপুড়ে হিমেল রাতে আগুন পোহাই। নীল কুয়াশায় মন উড়িয়ে বাতাস হয়ে এই পরানে নাও তুমি আজ প্রাণ জড়িয়ে। ২. কুয়াশাতে …

Read More »

দু’টি কবিতা।। শেখ একেএম জাকারিয়াৈ

কবিতা পুরাণ খুব সকালে যখন পাটখেতের পথে প্রেম আসে শিশিরের চেহারা নিয়ে আমার চোখে তুমি সেইচেহারা উদাসী হই খোয়াব দেখি সবুজের বুকে তুমি প্রজাপতি হয়ে হেসে ওঠো চোখের উঠোনে ভরদুপুরে যখন আমগাছে আধাপাকা আম দেখি সবুজের কার্নিশে বৈশাখী হাওয়ায় তুমি সেই লোভনীয় হলুদ-সবুজ টকমিষ্টি আম যা কী-না বৃষ্টিভেজা রোদের মতো …

Read More »

শেখ একেএম জাকারিয়া এর দু’টি কবিতা

কবিতা পুরাণ খুব সকালে যখন পাটখেতের পথে প্রেম আসে শিশিরের চেহারা নিয়ে আমার চোখে তুমি সেইচেহারা উদাসী হই খোয়াব দেখি সবুজের বুকে তুমি প্রজাপতি হয়ে হেসে ওঠো চোখের উঠোনে ভরদুপুরে যখন আমগাছে আধাপাকা আম দেখি সবুজের কার্নিশে বৈশাখী হাওয়ায় তুমি সেই লোভনীয় হলুদ-সবুজ টকমিষ্টি আম যা কী-না বৃষ্টিভেজা রোদের মতো …

Read More »

একগুচ্ছ কবিতা।। জয়নাল আবেদীন

অধিকার যেন লুটের কম্বল! এমনই এক সভ্যতার পেট গিলে গিলে খায় আশার সমস্ত কচুরিপানা, জীবনের মুক্ত স্রোত-কচু পাতার জল যেন ক্ষণিক হাওয়ার ছোঁয়া লেগেই পতনের শেষ ধাপ। তবুও ভেঁজা জল পাট্টির আলতো ছাপচিত্র নক্ষত্রের গায়ে ক্ষত চিহ্নরূপে এঁটে থাকে। বাসী ফুলের মরা গন্ধে ঘুরপাক খায় নিশিন্দা বেশ্যাবাড়ির বরযাত্রী। চাঁদের পোড়া …

Read More »

হাসনাত নাগাসাকি এর একগুচ্ছ কবিতা

রুমু, অদেখা ঈশ্বরী চুপ থাকলে পারিনা রুমু, ক্রমশই বাষ্প হয়ে যাই। এই ছোট্ট কুঠুরিতে এই বিশাল পাখির ডানা আঁটসাঁট হয়ে ওঠে, হয়ে ওঠে উড়াল জরা! কোথা রাখি এ হৃদয় বলো, বলো হে অদেখা ঈশ্বরী? তাকাও, তাকিয়ে থাকো- যেমন বিদীর্ণ করে মার্কিনী মিশাইল আফগানিস্তানের বুক; শিমুলতুলার মতো উড়ে যাক ভিতরের নষ্ট …

Read More »

শহুরে পোড়া প্রেম।। বিধান চন্দ্র বর্মণ

পথের আড়ালে লুকিয়ে থাকে আমার থরথর প্রেম – দূর্বাঘাসের মতন কলকলিয়ে বেড়ে উঠে আজ দিনের পর দিন- রাতের পর রাত অনবরত! দুর্মরতা পায় আদিগন্ত হতে বেমালুম মহাকাশ শূন্যতায়- আমি তখন ডোবার পঁচা কাদায় বুদবুদ বায়বীয় গ্যাস হয়ে স্টিলের ডেকচিতে ভরে, এক টাকার সাদা বেলুন হয়ে উড়ি! এখানে ওখানে – খুঁজে …

Read More »

ভাত রাঁধার গন্ধ।। অরণ্য আপন

আমার দুহাতের অাঙুল গলে ঝুরঝুর করে মাটি ঝরে পড়ে আমার মৃত প্রেমের ওপর আমার চোখ হয়ে গেছে রক্ত জমে পাথর, আমার বুক হয়ে গেছে কষ্ট জমে কবর। মেঘে মেঘে ব্যথাতুর আগুন লেগে ক্ষুধার চোখে রক্ত ঝরে; বাউলা ক্ষুধার অরণ্য পটপট করে ঈশ্বরের আগুনে পোড়ে কেঁদে ওঠে ক্ষুধার শিশু আমি শুনি …

Read More »

কবি বশিরুজ্জামান’র একগুচ্ছ কবিতা

গহীনে নৈঃশব্দ্য ভেঙে গেছে নির্মিত স্বপ্নের রঙিন প্রাসাদ শিশিরের মতো ঝরে গেছে অপূর্ণ ইচ্ছেরা শুঁকিয়ে গেছে হৃদয়-চরের তৃষ্ণার্ত নদী অনাগত জীবনের ভুল হিসেব কষে কষে বাষ্প হয়ে উড়ে গেছে হাতে-বাঁধা সময়। একদিন শ্রাবণের কালো মেঘের মতো মনের আকাশেও জমাট বাঁধে দুখের মেঘ। মেঘগুলো কখনো গর্জে উঠে দুঃস্বপ্নের মতো কখনো বা …

Read More »

হৃদয়ের দস্তাবেজে তুমি।। জেলী আক্তার

তুমি কবে ফিরবে ? সেই কবে ছুটি নিয়ে চলে গেলে আর ফিরলে না ! সম্বলহীন হৃদয়ে তুমি তো অবলম্বন। আমার হৃদয়ের দস্তাবেজ গুলো তো সব তোমার নামে, তোমায় তো দেখতে চেয়েছিলাম চূড়ার শীর্ষে। তবে ততটা র্শীষে নয়, যেখানে তুমি অদৃশ্য হয়ে যাবে। তবে তুমি একি করলে! যে চূড়ায় আমার দর্শনেদ্রিয় …

Read More »

রঙ।। রেজাউল করিম বাবু।

এক হাসিতে আকাশ দেখি সেই হাসিতে অন্ধকার ভোরের আলো দেখার পরও অরণ্যকের মন বেজার। যে রঙেতে মন রাঙাব সেই সবুজে হালকা রঙ দিনদুপুরে অবাক আমি কেমনতর মনের ঢঙ। আকাশ পানে চেয়ে দেখি সব তারাদের আড্ডা আজ বুঝিনাকো বুঝি না আর মানব মনের এমন সাজ। Hits: 19

Read More »

খণ্ডিত সামিয়ানা।। সন্দীপ পিপলাই

আলোর সাথে বোঝাপড়া গেছে চুকে গভীর অন্ধকার জীবন ধুঁকে মরা,পাঁজর ক্ষতবিক্ষত। একফোঁটা সুখের পানি আসমানী রূপকথা। ছিবড়ে হওয়া মানবতা—উত্সর্গীত অনুভব। শাসন চলছে অরাজকতা ধুচ্ছে মুখ, পুরু কোটিং শ্মশানের জলন্ত ছাই। ইসস্ চুপ বড় উজ্জল বাঙ্গলার মুখ। মান ,জ্ঞান ,ধর্ম ,সমাজ সবই লিখিত পোস্টার,নির্বাক শিক্ষার পরিহাস। ভোগ লোভ আসল কথা,নারকীয় সহবাস! …

Read More »

একাত্ম অনুভব।। সৌমী শাঁখারী

তোর জন্যে আমি পদ্মের গোলাপী নিঃশ্বাস হতে পারি, বুকের ক্ষততেও হলুদ চন্দনের প্রলেপ হবো… যদি তুই আমার একলা নদীকে স্রোতসাগরে ফিরিয়ে দিস। কৃষ্ণচূড়ার বনে নির্দ্বিধায় প্রেমের আগুন নেভাবো, আমায় যদি না চিনিস বৃষ্টির আবাল্য ছাটে। কথাকলি মন আমার,তোর চোখের শাওনে মুখরা… কতো না রাত জড়িয়েছি তোকে স্বপ্নের রাজ্যপাটে। চাঁদ ডোবা …

Read More »

চোরাবালি।। ডিকন হাজরা

চোরাবালির মধ্যে আমার রক্তমাখা শরীর ডুবিয়ে দেই, সে কেবল আমার শরীরে লেগে থাকা রক্তই শুষে নেয়! আমি হতাশ হই না, আবার হিংস্র রুপ ধারণ করে নেকড়ে সাজি; কোনো নিঃস্ব বিবশ কাউকে পেলেই তার বুক চিরে রক্ত মাখি! সেই নিশ্পাপ রক্তে আমার শরীরে লাভার উত্তাপ ছড়িয়ে পড়ে। আমি প্রাণপনে ছুটতে থাকি, …

Read More »

অর্ধেক হাহাকারের মানুষ।। জহির আশফাক

এমন হাসফাঁস লাগছে কেন ? আমাকে কি স্বাধীন ঘোষনা করা হয়েছে? নাকি কফিনে? একজনের নিঃশ্বাসের শব্দে আমি আঁতকে উঠলাম। কফিনে এখন ক’জন আমরা? আমি ঘন অন্ধকারে চোখ খুলতে ভয় পাচ্ছি কানে ঘোর নৈঃশব্দের হাওয়া। তীব্র আতংকে অশান্ত হবার মুহুর্তে কেও একজন, কেও একজন আমাকে ছুঁয়ে দিল। বললো, আজ আমাকে সংবর্ধনা …

Read More »

পারবেনা ওরা।। মঞ্জু সরকার

বেঁধেছিলাম প্রেমের নীড় দুজনে নীরবে, ধর্মান্ধতার আগুন পুরিয়ে দিলে সে নীড়। নির্যাতনে ওদের মন ভরে নি, ঠেলে দিলো শ্মশান-কবরে। তোমার চিতার আগুনে পুড়ে গেছে এ হৃদয়, এ দেহ; তোমার অস্থি বিসর্জন হলো জলে। দেখো, মিশে গেছে তোমার অস্থি আমার গোসলের পানিতে। পারে নি ওরা, পারবে না থামাতে মিলন আমাদের, আমাদের …

Read More »

হৃদয় পরশ দেবো।। চিন্ময় মহান্তী

ওরা হেঁটে চলে ধেনুর পিছনে খুরের ধূলি মেখে , ওরা শ্বাস লয় খোলা মাঠের শুদ্ধ বাতাস হতে । ওরা পেড়ে খায় কালো পাকা জাম খালের ধারের গাছে , ওরা পেড়ে খায় কচি কচি আম মরিচ লবণ যোগে । সারাদিন ধরে মাঠের বাতাসে ডাঙ্গ গুলি খেলে , মধ্যে মধ্যে সেইগুলি ফেলে …

Read More »

আমরা কি মানুষ?।। শামীম আজাদ

অগ্নিবলয়ের মধ্যে ভূমিষ্ঠ হওয়া সদ্যোজাত শিশু, পৃথিবীর ছাড়পত্র পায়নি সে, রাখা হয়নি নাম, হবেও না কোনদিন। কালের বিবর্তনে ইতিহাসের বিবর্ণ পাতায় হবেনা মলিন, প্রিয় জন্মভূমি রাখাইন। পরমানন্দে বিছানায় ঘুমিয়ে আছে শিশুটি, ঘুমের মধ্যে ভাবছে হয়তো, এ বসুন্ধরা তার জন্যে নিরাপদ নয়! ভাবছে বড় হতে পারবো তো? মাকে ‘মা’ এবং বাবাকে …

Read More »

যদি কখনো হারিয়ে যায়।। দেবার্ঘ্য চ্যাটার্জি

হঠাৎ করে কে যেন ডাকলো আমায়, ঘুমন্ত শরীর শিহরিত । ডায়েরির পাতাগুলো ছিনিয়ে নিয়ে গেল, পড়ে রইলো চারিদিকে ছড়িয়ে – শেষ ঠিকানার টুকরোখানি। অস্পষ্ট চোখে ভেসে আসে, সাগরের তীরে দাঁড়িয়ে থাকা – মানুষের হাহাকারের কন্ঠ ধ্বনি । কখনো বা ছুটে চলে যায়, না ফেরার শেষ বেলায় – অজানা কার ডাকে …

Read More »

অঙ্কিত গোলাপ হৃদয়াকাশে।। মারিয়া হোসেইন

সেদিন এসেছিলে, রজনীগন্ধার স্নিগ্ধ সুবাস নিয়ে, বসেছিলে পাশে দূরত্বের চমকিত মৃদু বাতায়নে। মিষ্টি গোলাপ ফুলটা তুলে রেখেছিলাম সযতনে, দেবো তোমায় ভেবেছিলাম, দুটি হাতের বন্ধনে। মেলেনি আঁখি আঁধারে, ঝলসিত তারাদের অরণ্যে, পাইনি ছোঁয়া অনিমেষে মিষ্টি নিবিড় আলিঙ্গনে। রঙিন ফুল পরীদের মাঝে আমি ছিলাম, নিতান্তই সামান্য । আটপৌরে শেকলে বাঁধা আছে অবশ্যই …

Read More »

তি ন টি ক বি তা।। রোশনী ইয়াসমীন

ভালোবাসার পলিতে আত্মবিশ্বাস জন্মাক রক্তের শরীরে বিভীষিকা- নিরন্তর মহামারি গিলে খাওয়ায় ব্যস্ত মাতৃস্থানীয় সৌজন্য। সততার বাণী এখন দাঁতের ফাঁকে আটকে আটপৌরে-জীবনে পা দিয়ে,ভয়ে – আঁটোসাঁটো সেই গিন্নী। মাঝ দুয়ারে অখণ্ড বাতিটা লটকে- ত্রেতা যুগের কিছু কাল সৈনিক। নিভাবার শখে নিতান্ত রেষারেষি, দৃঢ়- দুর্জয় ডুব দিয়েছে জড়তার কুঁয়োর মাঝে।   জীবদ্দশায় …

Read More »

প্রাত মঞ্জুরি।। কামরুন নাহার রুনু

চুমুকে চুমুকে চায়ের বুদবুদ পৌষের ধোঁয়াটে ঘ্রাণমাখা ঠোঁটে ছড়ায় উত্তাপ! কলাইয়ের মাঠের প্রেমময় আঁচল আহলাদি কুয়াশা জড়ানো বুকে শীতের প্রবন্ধ রচনার ঘোরে একাগ্র তাই,রাতের মলাটের বাম-অলিন্দে এখন নিগূঢ় জ্যোৎস্না! ঘাস শিশিরের ক্ষণিকের অভিসার,জোনাক-সঙ্গের মত নির্বাক প্রহর শেষে নুয়ে পড়ে বিরহে এই শীতসন্ধ্যায় ধোঁয়াটে নিশ্বাস ভরা রাতের উচ্ছ্বাসে! মধ্যমা আর কনিষ্ঠার …

Read More »

মনোভূমি।। শামীমা সুমি

আজ তো মনভাঙার দিন ছিলোনা তবুও ঝন ঝনাৎ ভেঙে পড়লো হৃদয়, শব্দ হলো না কেউ কোথাও টের পেলোনা শুধু কানফাটা মৌন্যতায় চৌচির মনোভূমি। তোর বুকের সাগরে ডুবে গেলো আমার মাস্তুল ছেঁড়াপাল সাথে নিয়ে উড়ে গেলো বিবর্ণসন্ধ্যা, মরচেপড়া স্মৃতি নিয়ে উদাস বসে থাকা ভবিতব্য গাঙচিলের ডানায় আসবে না আর সুখস্বপ্ন। শর্তভাঙার …

Read More »

চারা।। রুমকি আনোয়ার

মৃতের পেট চিরে বেরিয়ে আসে কবিতা আগুন জ্বালাও আমার বুকে, আগুন জ্বালাও বিষণ্ণ বর্নমালায় রক্ত কি ঝরাতে শিখনি ? যত পাপ তত শোক বলে কিছু নেই, আমি গিলে ফেলি চন্দ্র, সূর্য, গ্রহ, তারা বড় ক্ষিদে আমার, বড় ক্ষিদে । মৃতের ঘি চন্দন আমার নাসারন্ধ্রে , মসজিদ, মন্দির সেও আমার হৃদপিণ্ডে, …

Read More »

সাবিত্রী।। সনৎ কুমার দে

হাত পা নেই বিকৃতি সম্বল ট্রাই-সাইকেল চলে চড়া বেয়ে , যুবক বসে মোড়া চরণ-যুগল অগ্রে এক বছর পাঁচের মেয়ে ৷ ওরাও নাকি যাবে অনেকদূর অন্ধকারের বিপজ্জনক পথে স্বপ্ন সেসব ভেঙে ভেঙেই চুর তবুও চড়া স্বপ্ন-দেখা রথে ৷ তিনের মুখে খাবার তোলে এক পরের বাড়ি বাসন মাজামাজি , সেসব কাজেও বিড়ম্বনা …

Read More »

অন্তর্লীন।। অঞ্জন চক্রবর্তী

একান্তে যা কিছু আছে থাক না গোপন! অতলান্তে জন্ম নেওয়া কিছু বুদবুদ ভাষা – যদি বা কখনো সে ভেসে ওঠে প্রগাঢ় ইচ্ছায় বাতাস আলিঙ্গনে ইচ্ছেরেণু ছড়ায় প্রকাশে। তবু প্রকাশের মাঝে থাকে সুচিত ভ্রমণ, গায়ে জড়ায় ইতিহাস শুদ্ধ বর্ণমালা, ভাষা পায় নিরুচ্চার সঙ্গীতের সপ্তক রথ- বেছে নেয় ছান্দসিক গল্প রূপকথার । …

Read More »

আস্তাবলের জানালায়।। মৃন্ময় চক্রবর্তী

একদিন আমি এই শহরের একটি আস্তাবলে ঢুকে আমার সামান্য সম্বল হারিয়ে ফেলেছিলাম। আমার সারাদিনের উপার্জন ছেঁড়া পকেট থেকে গলে পালিয়ে গিয়েছিল। আমি অবাক হয়ে ভাবলাম, টাকাগুলো আর পালাবার জায়গা খুঁজে পেল না? ঘোড়ার মুত, নাদ, চিবোনো ছোলার মিশ্রিত দুর্গন্ধে ভরা বিচ্ছিরি মেঝেটা দুহাতে ঘেঁটে ফিরে এসেছি চুপচাপ, টাকা ফেরত পাইনি। …

Read More »

একাকী ভাবনা ও অন্যান্য

একাকী ভাবনা রুমকি আনোয়ার রাতের বিবর্ণ ধূসর দেয়ালে আমি দেখেছি- ক্ষয়ে যাওয়া জীবনের আর্তনাদ , পঙ্কিল জীবনের অবসানে মুমূর্ষুর আর্তচিৎকার, “আমাকে বাঁচাও, আমাকে বাঁচাও।” তারপর জোৎস্না আসে, সহসা আলোয় ভরে যায় দিগন্ত কিন্তু সেখানেও যে রিক্ত জীবনের হাহাকার, শূন্য প্রতিবিম্ভ, জোৎস্না ফেলে যায় বীভৎস নগ্নতার চিহ্ন -সে চিহ্ন এতই স্পষ্ট …

Read More »

প্রিয় শহর ও কাকতালীয় ইচ্ছেডানা

পল্লব গোস্বামী আজ আবার খুব করে রোদ পোড়াবো আমি; এর দেওয়ালে হিসি করবো, ওর দেওয়ালে ছুঁড়ে মারবো হরপ্পার চাঁদ। কব্জি ডোবানো.. উষ্ণ-প্রস্রবণ তুলে আনবো কুমারীর বুক থেকে। বন্ধুদের সাথে খিস্তি করবো প্রেমিকাকে নিয়ে গাঁজাখুরি গল্প খুঁজবো বহুরাত। যতটুকু হাঁটা পথ – তার থেকেও বেশি ছুটে যাবো ধান-সায়রের পাড় বরাবর। আলব্রাটসের …

Read More »

আমি ঈশ্বর হতে চেয়েছিলাম

অরণ্য আপন আমার বাড়ির এক চিলতে  উঠান থেকে তোমার বাড়ির গাছ দেখা যায় আমার বাড়ির মাথার কাছে উঠা চাঁদ না দেখে আমি তোমার বাড়ির গাছ দেখি কত আরাম লাগে! কত সুখ লাগে! কত ফুল ফোটে মনের বাগে বাগে! আমার বাড়ির চাঁদের চেয়ে তোমার বাড়ির গাছ অনেক সুন্দর আমার ভালোবাসার চেয়ে …

Read More »

কালো ছেলেটা

কবিতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই যে কালো ছেলেটা– যার কথা তোমাকে আজ বলবো ভেবেছি … জানো , সে আর ফেরেনি । ছেলেটার নাম কি ছিল তাতে কি আসে যায়… অমল , বিমল , কমল অথবা স্বপন ! ছেলেটা কালো ছিল, বড্ড ভালো ছিলো। আমার ক্লাসেই সে পড়তো , লক্ষ্য করেছি পড়াশোনার ফাঁকে …

Read More »